পাবনায় একদিন

Rafa Noman

চৈত্রের তির্যক রোদে হাঁটছি কাঁটাবন থেকে নীলক্ষেত যেতে যেতে  এক দোকানে চোখ আটকে গেছে সারি-সারি কফিন আর সাদা কাফনের কাপড় নিয়ে অপেক্ষা করছে এক ভদ্রলোক। উনি মৃত্যুর অপেক্ষা করছে, পৃথিবীতে এই ব্যবসা’ই মনে হয় সত্য দিয়ে ঠিকে আছে  যত বেশি মৃত্যু তত বেশি কফিন কাফন।

আমি মাঝে মধ্যে মানুষ দেখি নিউ মার্কেট ওভার ব্রিজে দাড়িয়ে। কত কিসিমের মানুষ লাল নীল হলুদ মানুষ। তাদের ভিতর কি চলছে নিজের মত করে সাজিয়ে রং দেই মানুষদের যাদের মন ভীষণ খারাপ তার রং নীল। যে ভীষণ খুশি সে লাল। যার মনে সুখ দুখ নাই সে হলুদ। আমার মত এই কফিনের দোকানীও কি দোকানে বসে সামনে দিয়ে চলতে থাকা মানুষের আয়ু হিসাব করে!  কে কত বছর বাঁচতে পারে কার কতদিন পর কফিন লাগবে!

আমার এইসব উদ্ভট চিন্তা যার কোন আগা মাথা নেই। এমন উদ্ভট চিন্তা নিয়ে ঢাকা থেকে বের হয়ে কুষ্টিয়া এসেছি কদিন হলো এখান থেকে পাবনা যাবো।কুষ্টিয়া থেকে পাবনা সহজ পথ বাসে উঠলে কয়েক ঘন্টায় চলে আসা যায় কিন্তু আমি এই পথে যাবো না। পদ্মা পার হয়ে  নতুন রাস্তা দিয়ে যাবো।

মানসিক হাসপাতাল,পাবনা
মানসিক হাসপাতাল,পাবনা

রবীন্দ্রনাথ তার কুটি বাড়ি থেকে  সিরাজগঞ্জ কাচারিবাড়িতে আসতেন নৌ পথে পদ্মা পাড়ি দিয়ে। আমরাও একই পথে যাচ্ছি শিলাইদহ ঘাট থেকে পদ্মা পার হয়ে সাদিপুর  ঘাট সেখান থেকে অটো দিয়ে সাদিপুর বাজার  আবার বাজার থেকে অটো বা সি এন জি দিয়ে পাবনা।

শিলাইদহ ঘাট
শিলাইদহ ঘাট

একটু উদ্ভট রোড প্ল্যান হলেও আমার কাছে জুইত লাগছে। চৈত্রের তীর্জক রোদ মাথায় নিয়ে ট্রলারে পদ্মা পাড়ি দিচ্ছি। নদী একদম শান্ত। পদ্মার বর্ষার রুপ ভয়ংকর সুন্দর। গঙ্গা তনয়া পদ্মা প্রতি মাসেই রুপ পরিবর্তন করে। এই মুর্হতে নদী শান্ত রুপে আছে। ট্রলারে মূল পদ্মা  পার হয়ে বর্ষার পদ্মায় নামতেই বাদামের গন্ধ আসলো।  চর জুড়ে বাদাম চাষ করা হয়েছে।  চরের বুক চিড়ে বালুময় রাস্তা দিয়ে কিলে দুয়েক পথ অটো নিয়ে পার হতে হয়। বর্ষায় এখানে ভরপুর পানি থাকে।

পদ্মা
পদ্মা

 

আমার জীবনে যত ভয়ংকর রাস্তা দেখেছি তার মাঝে এটা একটা। বালির উপর দিয়ে ৯ জনের অটো একবার ডান দিকে কাত হয়ে মাটি ছুঁই ছুঁই আবার বাম দিকে মাটি ছুই ছুই। প্রাণ বের হয়ে যাবার মত অবস্থা। আমরা দুইজন ছাড়া যারা নিয়মিত তারা দিব্য হাসিমুখে যাচ্ছে। আমরা দাঁতে দাত কামড়ে কোন মতে বসে আছি।

সাদিপুর ঘাট
সাদিপুর ঘাট

পাবনায় আমাদের জন্য হিমু পরিবহণের লিমন, সোহেল, শ্রাবণ আরো কয়েকজন অপেক্ষা করছে। রাতে লিমনের বাসায় থেকে পরদিন ঘুরবো।  কই ঘুরবো কি   সব ঠিক করা আছে আমরা শুধু যাবো। আমার শুধু ভালো মানুষের সাথে পরিচয়। সবাই শতর্বর্ষী পাবনা এওয়ার্ড কলেজের ছাত্র। তাই কলেজের পাশেই রাত্রিযাপন।

পদ্মা
পদ্মা

অনেক দিন পর কোন প্ল্যান ছাড়া বের হয়েছি। লিমনরা সব প্ল্যান করছে সাথে আরো কয়েকজন যোগ দিয়েছে। আমরা শুধু তাদের সাথে ঘুরবো। সকালের নাস্তা সেরে প্রথমে এডর্য়াড কলেজ আমাদের গন্তব্য।  শতর্বর্ষী কলেজ

এডয়ার্ড কলেজ
এডয়ার্ড কলেজ

পাবনা এডওয়ার্ড কলেজ (Pabna Edward College) বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এটি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত একটি সরকারী কলেজ। যা ১৮৯৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। কলেজটির প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন তৎকালীন জমিদার শ্রী শ্রী রাজা এডওয়ার্ড।

এডয়ার্ড কলেজ
কলেজ

এডওয়ার্ড কলেজ থেকে আমাদের পরের গন্তব্য পাবনা শহরের প্রাণকেন্দ্রে।  অটো বা রিকশা কে  বললেই নিয়ে যাবে মিনিট দশেকের পথ তাড়াশ ভবন। বনমালী রায় বাহাদুরের তাড়াশ বিল্ডিং এখন পর্যন্ত প্রায় অক্ষত অবস্থায় আছে। পাবনার জমিদারদের মধ্যে সবচেয়ে নামকরা এবং পুরাতন বলে পরিচিত এই তাড়াশের জমিদার। সে সময়ের ভূস্বামী পরিবারগণই জমিদারবংশীয় বলে অভিহিত। বগুড়া জেলার চান্দাইকোণার কাছে ‘কোদলা’গ্রামে একঘর কায়স্থজমিদার ছিলেন; এই জমিদারই তাড়াশের রায়বংশের পূর্বপুরুষ বাসুদেব। তাড়াশের এই পরিবার ছিল পাবনা জেলার সবচেয়ে বড় জমিদার। বাসুদেব নবাব মুর্শিদকুলি খানের রাজস্ব বিভাগে চাকরি করে প্রতিষ্ঠা করেন রাজবাড়ী। নবাব মুর্শিদকুলি খানবাসুদেবকে ভূষিত করেন ‘রায়চৌধুরী’খেতাবে। তার এষ্টেট ছিল প্রায় ২০০ মৌজা নিয়ে।

তাড়াশ ভবন
তাড়াশ ভবন

এই রায় বংশের বনমালীরায় ও বনওয়ারীলাল রায়ের নির্মাণ ঐতিহাবাহী বনমালী ইনস্টিটিউটও। জানা যায়, ১৯৪২ সনে ২য় বিশ্বযুদ্ধের সময় যুদ্ধের আতঙ্কে এ জমিদার পরিবার তাদের পাবনা শহরে নির্মিত ঐতিহাসিক তাড়াশ বিল্ডিং এ আশ্রয় নিয়েছিলেন। পাবনা অঞ্চলের সর্ববৃহৎ জমিদার কর্তৃক নির্মিত তাঁদের অমরকীর্তি পাবনা শহরের তাড়াশ বিল্ডিং আজও তাঁদের স্মৃতি বহন করে দাঁড়িয়ে আছে। আদিতে বনওয়ারীলাল ফরিদপুর থানার ডেমরাতে বসতি স্থাপন করেন এবং কালক্রমে এইস্থানের নাম হয় বনওয়ারীনগর। তাঁদের নির্মিত শহরের ভবনটি তাড়াশ রাজবাড়ী নামেও পরিচিত।

তাড়াশ ভবন থেকে পরের যাত্রাও খুব কাছে অটো বা রিকশাতে মিনেট দশেকের হবে  জোর বাংলো রোডের জোর বাংলো মন্দির। তাড়াশ ভবনের সামনে থেকে রিকশা বা অটো কে বললেই নিয়ে যাবে।

জোর বাংলো মন্দির
জোর বাংলো মন্দির

মন্দিরটির নির্মাণশৈলী বাংলার অন্যান্য মন্দির স্থাপত্য থেকে ভিন্ন। ইট নির্মিত একটি অনুচ্চ বেদীর উপর মন্দিরের মূল কাঠামো নির্মাণ করা হয়েছে। মন্দিরটির উপরের পাকা ছাদ বাংলার দোচালা ঘরের চালের অনুরূপ। পাশাপাশি দু’টি দোচালা ঘরের ছাদকে এক সঙ্গে জোড়া লাগিয়ে মন্দিরের ছাদ নির্মাণ করা হয়েছে।

প্রবেশপথ এবং সংলগ্ন স্তম্ভ ও দেয়ালের নির্মাণ কৌশলে দিনাজপুরের কান্তনগর মন্দির এর সঙ্গে সামঞ্জস্য খুঁজে পাওয়া যায়। দেয়াল ও স্তম্ভে এক সময় প্রচুর পোড়ামাটির চিত্রফলকে অলংকৃত ছিল। ১৮৯৭ খ্রিস্টাব্দের ভূমিকম্পে মন্দিরের যথেষ্ট ক্ষতি সাধিত হয়। মন্দিরের সঙ্গে সংস্থাপিত কোন শিলালিপি না থাকলেও স্থানীয়দের মতে, মুর্শিদাবাদের নবাবের তহশীলদার ব্রজমোহন ক্রোড়ী আঠারো শতকের মাঝামাঝি কোন এক সময়ে মন্দিরটি নির্মাণ করেছিলেন।

পুরোনো বাড়ি
পুরোনো বাড়ি

জোড় বাংলা মন্দিরে বর্তমানে পূজা-অর্চনা করা হয় না। তবে কারো কারো মতে, আগে এখানে নিয়মিত পূজা হতো। অভ্যন্তরে গোপীনাথের মূর্তি, রাধা-কৃষ্ণের মূর্তি ছিল। তাই মন্দিরটি গোপীনাথের মন্দির বলেও পরিচিত ছিল। এখন আর এই নামে কেউ চেনে বলে মনে হয় না। অন্যমতে, এই মন্দিরের অভ্যন্তরে কখনো পূজা-অর্চনা হতো না। এটি শুধু পরিত্যক্ত স্থাপনা কিংবা মঠ হিসেবেই দাঁড়িয়ে ছিল খোলা স্থানে।

জোর বাংলা মন্দির থেকে হাঁটা পথে সুচিত্রা সেনের বাড়ি আমাদের পরের গন্তব্য সেখানেই। পাবনায় বেশিরভাগ দর্শনীয় স্থান শহরেই।

সচিত্রা সেনের বাড়ি ( টিমের বড় আপা)

সুচিত্রা সেন ভারতীয় অভিনেত্রী ছিলেন। তার জন্মগত নাম ছিল রমা দাশগুপ্ত। তিনি মূলত বাংলা ও হিন্দি চলচ্চিত্রে অভিনয় করে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। বাংলা চলচ্চিত্রে উত্তম কুমারের বিপরীতে নায়িকার ভূমিকায় অভিনয় করে তিনি বিশেষ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন। ১৯৬৩ সালে সাত পাকে বাঁধা চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য মস্কো চলচ্চিত্র উৎসবে সুচিত্রা সেন “সেরা অভিনেত্রীর জন্য রোপ্য পুরস্কার” জয় করেন। তিনিই প্রথম ভারতীয় অভিনেত্রী যিনি কোনো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে পুরস্কৃত হয়েছিলেন। ১৯৭২ সালে ভারত সরকার তাকে পদ্মশ্রী সম্মান প্রদান করে। শোনা যায়, ২০০৫ সালে তাকে দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার দেওয়ার প্রস্তাব রাখা হয়েছিল; কিন্তু সুচিত্রা সেন জনসমক্ষে আসতে চান না বলে এই পুরস্কার গ্রহণ করেননি।২০১২ সালে তাকে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সর্বোচ্চ সম্মাননা বঙ্গবিভূষণ প্রদান করা হয়।  ২০১৪ সালে তিনি মারা যান।

সুচিত্রা সেনের বাড়ি  সামনে থেকে অটো নিলে পাবনা মানসিক হাসপাতালে আসতে পারেন যদিও এটা কোন দর্শনিয় স্থান নয়। তবু এর নাম ডাকের জন্যই মানুষ আসে। আমার কাছে মনে হয় ভিতরের মানুষগুলো সুস্থ আর আমরা যারা বাইরে আছি আসলে তারাই অসুস্থ। আমাদের খাঁচায় রেখে উনাদের ছেড়ে দেয়া উচিৎ। আমাদের মত এতো কিছু চাই না উনাদের না কোন দেশ দখল না কোন ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি।  বেঁচে থাকাই শ্রেয় উনাদের কাছে।

মানসিক হাসপাতাল পাবনা

পাবনা শহর থেকে তিন কি: মি: দূরে হেমায়েতপুর ইউনিয়নে ১৯৫৭ সালে পাবনা শহরের শীতলাই জমিদার বাড়িতে তৎকালীন পাবনা জেলার সিভিল সার্জন ডাঃ মোহাম্মদ হোসেন গাংগুলী এই হাসপাতালটি প্রতিষ্ঠা করেন।প্রতিষ্ঠার বছরেই হাসপাতালের কার্যক্রম শুরু হয়। প্রথম বছর হাসপাতালে মানসিক রোগী ভর্তি হয়েছিল ৮০ জন। পাবনা জেলা শহর থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার দূরে সদর উপজেলার হিমাইতপুর ইউনিয়নের হিমাইতপুর গ্রামে হাসপাতালের জন্য ১১১.২৫ একর জমি অধিগ্রহণ করে হাসপাতাল নির্মাণের কার্যক্রম শুরু হয়। নির্মাণ কাজ শেষ হয় ১৯৫৯ সালে এবং হাসপাতালটি স্থানান্তরিত হয় (তম্মধ্যে ৩০ একর জমি পাবনা মেডিকেল কলেজকে হস্তান্তর করা হয়েছে)। অধিগ্রহণ করা জমির সিংহভাগই ছিল পাবনার আধ্যাত্মিক সাধক ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের।

অনুকূল ঠাকুরের আশ্রম
অনুকূল ঠাকুরের আশ্রম

হাসপাতালের ঠিক পিছনেই শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্র আশ্রম অনুকূল চন্দ্রের পিতা ছিলেন হেমায়েতপুর গ্রামের শ্রী শিবচন্দ্র চক্রবর্তী এবং মাতা ছিলেন শ্রী যুক্তা মনমোহিনী দেবী।

অনুকূল ঠাকুরের আশ্রম
মূল মন্দির

 

শ্রী শ্রী অনুকূল চন্দ্রের পিতা-মাতার স্মৃতিরক্ষার্থে এই আশ্রমটি নির্মিত।আশ্রমের সম্মুখ প্রাসাদে ‘স্মৃতি মন্দির’ কথাটি পাথরের উপরে উৎকীর্ণ করা আছে। অনুকূলচন্দ্র ‘সৎসঙ্গ’ নামে একটি জনহিতকর সংগঠন প্রতিষ্ঠা করে গেছেন। প্রকৃত অর্থে অনুকূল ঠাকুর মানবকল্যাণে তাঁর জায়গা-জমি যথাসর্বস্ব উৎসর্গ করে গেছেন।

স্মৃতিমন্দিরটি অন্যান্য ইমারতের তুলনায় এখনো সুসংরক্ষিত অবস্থায় আছে। সম্প্রতি নব নির্মিত সৎসঙ্গ-আশ্রম-মন্দির সমন্বয়ে গঠিত স্থাপত্য নিদর্শনটি সহজেই সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করে। এখানে শ্রী শ্রী অনুকূল চন্দের জন্ম ও মৃত্যু বার্ষিকীকে কেন্দ্র করে বিরাট অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় । প্রতি বছর এখানে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানসহ, ভারত, নেপাল সহ বিভিন্ন স্থান থেকে লোকজন আসে। ঐ সময় এখানে প্রচুর লোক/অতিথির সমাগম হয়। প্রায় লক্ষাধিকের বেশী লোকের সমাগম হয়ে থাকে।

অনুকূল ঠাকুরের আশ্রম
পাবলিক লাইব্রেরী

এছাড়াও হাতে সময় নিয়ে চাটমোহর উপজেলায় পনেরশতকে নির্মিত  চাটমোহর শাহী মসজিদ, কুষ্টিয়া থেকে আসা বা যাবার পথে হার্ডিঞ্জ ব্রিজ এবং পরমানু বিদ্যুৎ কেন্দ্র দেখে আসতে পারেন।

একদিনে কখনোই একটা জেলা দেখা সম্ভব না। তবু যারা সময় দিতে পারে না তাদের জন্যই মূলত একদিনের যতটুকু দেখা যায় ততটুকু নিয়ে লেখা।

ইলিশ পেটি
ইলিশ পেটি

আশ্রম থেকে বের হয়ে সন্ধ্যায় গিয়েছিলাম পাবনার বিখ্যাত ইলিশ পেটি খেতে পাঁচ যুগের বেশি পুরোনো প্যারাডাইস সুইটসে।  এটি দেখতে ইলিশ মাছের টুকরা মনে হলেও আদতে এটি একটি সন্দেশ যা পাবনা জেলায় পাওয়া যায়। মূলত দুধের চাছি দিয়ে তৈরি করা হয় এই সুস্বাদু ইলিশ পেটি সন্দেশ। দুধ ও চিনির মিশ্রণ কে ঘন করে অল্প আঁচে দীর্ঘ সময় যাবত চুলার ওপর নাড়তে নাড়তে তৈরি হয় দুধের চাছি । এই চাছি গরম থাকা অবস্থায় ইলিশ পেটি সন্দেশ এর আকৃতি দেয়া হয়। এটি দেখতে শক্ত মনে হলেও আসলে এটি খুবই নরম আর এর স্বাদ অসাধারণ।

সাদা গোলাপ
সাদা গোলাপ

বিকেলে থেকে অনেক মানু্ষ এসেছে সবাইকে নিয়ে বিশাল আড্ডা দিয়ে পাবনা থেকে বিদায় নিচ্ছি। আমার শুধু ভালো মানুষের সাথে পরিচয়।  এই যে ঢাকা থেকে এসে এত বড় আথিতেয়তা পেলাম এতো জুইতের মানুষজন।  জীবন এখানে সুন্দর।  পাবনায় পৌঁছেই সাদা গোলাপের উষ্ণ অভ্যর্থনা পেয়ে শুরু হয়েছিল। আজ মিষ্টি দিয়ে শেষ করে বিদায় নিচ্ছি। জীবন সুন্দর ভীষণ  সুন্দর।

বিঃদ্রঃ ঘুরতে গিয়ে কোথাও ময়লা ফেলবেন না এবং স্থানীয়দের সাথে ভালো ব্যবহার করুন।

ফেব্রুয়ারি ২০১৯

{{ reviewsTotal }}{{ options.labels.singularReviewCountLabel }}
{{ reviewsTotal }}{{ options.labels.pluralReviewCountLabel }}
{{ options.labels.newReviewButton }}
{{ userData.canReview.message }}

Hi, I'm Saiful Islam

Welcome to my world of exploration! I’m a passionate travel blogger from Bangladesh, dedicated to showcasing the incredible beauty and rich culture of my homeland.

Find us on Facebook